
বর্তমানে কিডনিতে স্টোন বা কিডনির পাথর হওয়া অত্যন্ত বেড়ে গেছে। কিছু সাবধানতা অবলম্বন করলেএবং ঠিক সময়ে চিকিৎসা করলেই সুস্থ থাকা সম্ভব।
আজকের ব্যস্ত জীবনযাত্রা, অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাস এবং কম জল খাওয়ার অভ্যাস, সব মিলিয়েকিডনিতে পাথরের সমস্যা আগের তুলনায় অনেকটাই বেড়েছে। বিশেষ করে মাঝবয়সী পুরুষদের মধ্যেকিডনি স্টোনে আক্রান্ত হওয়ার প্রবণতা আগের থেকে অনেক বেড়ে গেছে। অনেক সময় প্রাথমিক পর্যায়েলক্ষণ স্পষ্ট না হওয়ায় রোগটি ধরা পড়ে বেশ দেরী করে। তাই কিডনিতে পাথর কেন হয়, এর লক্ষণ কীএবং কীভাবে প্রতিরোধ করা যায়, এই বিষয়গুলো জানা অত্যন্ত জরুরি।
কিডনিতে পাথর (কিডনি স্টোন) হল শক্ত খনিজ ও লবণের জমাটবদ্ধ রূপ, যা কিডনির ভেতরে তৈরিহয়। সাধারণত প্রস্রাবে থাকা ক্যালসিয়াম, অক্সালেট, ইউরিক অ্যাসিড বা ফসফরাস বেশি মাত্রায় জমেগেলে ধীরে ধীরে পাথরের আকার নেয়। এই পাথর ছোট হলে প্রস্রাবের সঙ্গে বেরিয়ে যেতে পারে, কিন্তু বড়হলে তীব্র যন্ত্রণা সৃষ্টি করে।
কিডনিতে পাথর এক ধরনের নয়, ক্যালসিয়াম স্টোন, ইউরিক অ্যাসিড স্টোন, স্ট্রুভাইট স্টোন ও সিস্টিনস্টোন, এই চার ধরনের পাথরই বেশি হতে দেখা যায়। এবং এই ধরণের স্টোন হলে যত তাড়াতাড়ি সম্ভবডাক্তার দেখানো জরুরি, নাহলে সমস্যা বাড়তে পারে।
কিডনিতে পাথরের লক্ষণ ব্যক্তি ভেদে আলাদা আলাদা হতে পারে। অনেক সময় পাথর ছোট থাকলেকোনও উপসর্গই দেখা যায় না। তবে পাথর বড় হলে সাধারণত যেসব লক্ষণ দেখা যায়, সেগুলি হল,
এই লক্ষণগুলি দেখা দিলে একেবারেই হালকাভাবে নেওয়া উচিত নয়। দ্রুত আপনার নিকটবর্তী ইউরোলজি বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।
অনেকেই প্রশ্ন করেন, কিডনিতে পাথর কেন হয়? কিডনি স্টোন হওয়ার পেছনে বেশ কিছু কারণ রয়েছে,যেগুলি হল:
বিশেষ করে গরমের সময় শরীরে জলের ঘাটতি হলে কিডনিতে পাথরের ঝুঁকি অনেক বেড়ে যায়।
কিডনিতে পাথর একবার হলে আবার হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই প্রতিরোধই হল সবচেয়ে ভালোউপায়। কিডনি স্টোন-এর হাত থেকে বাঁচতে যা যা করা জরুরি তার একটি ছোট্ট তালিকা নিচে দেওয়াহল।
এই ছোট ছোট অভ্যাসই ভবিষ্যতে বড় সমস্যার হাত থেকে বাঁচাতে পারে।
সঠিক ডায়েট কিডনিতে পাথর প্রতিরোধে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দেখে নিন কী কী খাবেন ও কী কী খাবেন নাতার তালিকা।
কিডনি স্টোন প্রতিরোধে যা যা খাওয়া উচিত:
যে যে খাবার এড়িয়ে চলা উচিত:
ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী ডায়েট ঠিক করলে পাথর হওয়ার ঝুঁকি অনেকটাই কমে যায়।
অনেকেই সাধারণ পেটব্যথা ভেবে ব্যথা সহ্য করে বাড়িতেই থাকেন, যা একেবারেই উচিত নয়। নিচেরপরিস্থিতিতে দ্রুত ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া জরুরি,
সময়মতো চিকিৎসা না করলে কিডনি ড্যামেজ পর্যন্ত হতে পারে। তাই, ঠিক সময়ে সঠিক স্টেপ নিন। চিন্তানা করে স্বাস্থ্যের যত্ন নিন, স্বাস্থ্যকর খাবার খান, নিজের কিডনিকে সুরক্ষিত রাখুন।
ছোট পাথর অনেক সময় প্রস্রাবের সঙ্গে নিজে থেকেই বেরিয়ে যেতে পারে। তবে বড় পাথরের ক্ষেত্রেচিকিৎসা বা সার্জারি দরকার।
পাথরের আকার ও অবস্থানের উপর নির্ভর করে কয়েক ঘণ্টা থেকে কয়েক দিন পর্যন্ত ব্যথা থাকতে পারে।
সাধারণত ফল খাওয়া নিরাপদ, তবে নির্দিষ্ট ডায়েটের জন্য ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া ভালো।
হ্যাঁ, একবার হলে ভবিষ্যতে আবার হওয়ার সম্ভাবনা থাকে, তাই প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।
কিডনি স্টোন শনাক্ত করার জন্য সাধারণত USG, CT Scan, ইউরিন টেস্ট ও রক্ত পরীক্ষা করা হয়।
Written and Verified by:

Dr. Pankaj Kumar Gupta is a Consultant in Urology Dept. at CMRI, Kolkata with over 10 years of experience. He specializes in renal stone management, prostate & uro-oncology surgery, reconstructive urology including urethroplasty.
Similar Renal Sciences Blogs
Book Your Appointment TODAY
© 2024 CMRI Kolkata. All Rights Reserved.