
আজকের দিনে, থাইরয়েডের সমস্যা দেখা দিচ্ছে প্রচুর মানুষের মধ্যেই। থাইরয়েডের সমস্যায় অনেকেরই খাওয়া নিয়ে চিন্তা বেড়ে যায়, তাতে স্ট্রেস-এর ফলে আরও শরীর খারাপ হতে পারে। এই ব্লগটি শেষ পর্যন্ত পড়ুন এবং জেনে নিন থাইরয়েড বেড়ে গেলে আপনার ডায়েট বা খাদ্যাভ্যাস ঠিক কেমন হওয়া উচিত।
আজকাল থাইরয়েড সমস্যায় ভোগেন এমন মানুষের সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে। বিশেষ করে মহিলাদের মধ্যেএই সমস্যা বেশি দেখা যায়। থাইরয়েড গ্রন্থির হরমোনের ভারসাম্য ঠিক না থাকলে ওজন বৃদ্ধি, ওজনকমে যাওয়া, ক্লান্তি, চুল পড়া, মেজাজের পরিবর্তনের মতো নানা সমস্যা দেখা দেয়। ওষুধের পাশাপাশিসঠিক ডায়েট চার্ট থাইরয়েড নিয়ন্ত্রণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এই ব্লগে আমরাবিস্তারিতভাবে জানবো থাইরয়েড রোগীর ডায়েট চার্ট কেমন হওয়া উচিত, কী খাবেন, কী এড়িয়ে চলবেনএবং কখন বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।
থাইরয়েড মূলত দুই ধরনের সমস্যা নিয়ে দেখা যায়, হাইপোথাইরয়ডিজম (থাইরয়েড হরমোন কম হয়েযাওয়া) এবং হাইপারথাইরয়ডিজম (থাইরয়েড হরমোন বেশি হয়ে যাওয়া)। এই দুই অবস্থাতেই শরীরেরমেটাবলিজম বা বিপাক ক্রিয়া প্রভাবিত হয়।
হাইপোথাইরয়েড রোগীদের ক্ষেত্রে ওজন বেড়ে যাওয়া, কোষ্ঠকাঠিন্য, অলসতা বেশি দেখা যায়। অন্যদিকেহাইপারথাইরয়েড রোগীদের ওজন কমে যাওয়া, বুক ধড়ফড় করা, অতিরিক্ত ঘাম, নার্ভাসনেস হতে পারে।তাই দু’ধরনের রোগীর জন্য ডায়েটের ধরনও আলাদা হওয়া দরকার।
তবে সাধারণ ভাবে, আয়োডিন, সেলেনিয়াম, জিঙ্ক, আয়রন ও ভিটামিন ডি সমৃদ্ধ খাবার খাওয়াউপকারী। নিচে বিস্তারিত ভাবে আলোচনা করা হল।
হাইপোথাইরয়েড রোগীর ডায়েট চার্ট
যাঁদের থাইরয়েড কম কাজ করে, তাঁদের লক্ষ্য হওয়া উচিত মেটাবলিজম বাড়ানো ও ওজন নিয়ন্ত্রণেরাখা।
এই রোগীদের জন্য ভালো খাবার কী কী?
হাইপারথাইরয়েড রোগের ক্ষেত্রে শরীরকে শান্ত রাখা এবং প্রয়োজনের থেকে বেশি শক্তি ক্ষয় রোধ করাইমূল লক্ষ্য হতে হবে।
এই রোগীদের জন্য উপযোগী খাবার কী কী?
থাইরয়েড রোগীরা যা যা খাবেন:
থাইরয়েড রোগীরা যে যে খাবার এড়িয়ে চলবেন:
বিশেষ করে যেসব থাইরয়েড রোগী ওজন কমানোর ডায়েট চার্ট খুঁজছেন, তাঁদের জন্য ফাস্ট ফুড ও চিনিখাওয়া একেবারেই কমানো জরুরি।
সকালে ঘুম থেকে উঠে কী কী খাবেন?
ব্রেকফাস্ট-এ কী কী খাবেন?
দুপুরের খাবারে কী কী রাখবেন?
বিকেলের স্ন্যাক্স কী খাবেন?
রাতের খাবারে কী কী রাখবেন?
এই ধরনের থাইরয়েড ডায়েট চার্ট নিয়মিত মেনে চললে ওজন ও হরমোন দুটোই নিয়ন্ত্রণে থাকবে। তাইসঠিক খাবার খান, ক্ষতিকর খাবার এড়িয়ে চলুন।
নিজের মতো করে ডায়েট পরিবর্তন করবেন না। ঠিক সময়ে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়াই নিরাপদ হবে।কারণ, নিজে পরিবর্তন করলে ভুল হতে পারে, এবং সেই ভুল থেকে স্বাস্থ্যের আরও বড় ক্ষতি হতে পারে।
হাইপোথাইরয়েডিজম ও হাইপারথাইরয়েডিজম কোনো ছোটখাটো সমস্যা নয়, তবে সঠিক জীবনযাপন ওখাদ্যাভ্যাসে এটি অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়। কিন্তু থাইরয়েডের সমস্যা নিয়ে অহেতুক ভয়ও পাবেননা। থাইরয়েড রোগীর ডায়েট চার্ট মেনে চললে ওজন, শক্তি ও মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতি হয়। স্বাস্থ্যওভালো থাকে।
মনে রাখবেন, প্রতিটি মানুষের শরীর আলাদা, তাই নিজের জন্য সঠিক ডায়েট বেছে নিতে বিশেষজ্ঞেরপরামর্শ নেওয়াই সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ। ঠিক সময়ে ডাক্তার দেখান, সুস্থ জীবনযাপন করুন।
হ্যাঁ, পরিমিত পরিমাণে ভাত খাওয়া যায়। তবে অতিরিক্ত ভাত না খাওয়াই ভালো।
ডিমে প্রোটিন থাকে, তাই সেদ্ধ ডিম থাইরয়েড রোগীদের জন্য উপকারী। তবে বেশি খাওয়া ঠিক নয়।
আপেল, পেয়ারা, জাম জাতীয় ফল ভালো। খুব মিষ্টি ফল সীমিত রাখা উচিত।
সঠিক ডায়েট চার্ট ও নিয়মিত ব্যায়ামে ওজন নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।
না, ডায়েট সহ ওষুধ ও চিকিৎসকের পরামর্শ একসঙ্গে প্রয়োজন।
Written and Verified by:
-DR.-Sujit-Bhattacharya-(-Endocrinology-).webp&w=256&q=75)
Dr. Sujit Bhattacharya is a Senior Consultant in Endocrinology Dept. at CMRI, Kolkata, with over 33 years of experience. He specializes in diabetes management, thyroid disorders, obesity, osteoporosis, and adrenal conditions.
Similar Endocrinology Blogs
Book Your Appointment TODAY
© 2024 CMRI Kolkata. All Rights Reserved.